প্রতিবেদন: আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা নিরসনে এক নতুন আশার আলো দেখা দিয়েছে। দশকের পর দশক ধরে চলে আসা সংঘাত ও বৈরিতার অবসান ঘটাতে প্রতিবেশী দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান একটি নিরপেক্ষ দেশে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। এই বৈঠকের পর একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশের মাধ্যমে তারা সম্পর্কের বরফ গলানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো এই বৈঠককে “ঐতিহাসিক” এবং “যুগান্তকারী” হিসেবে অভিহিত করেছে। জানা গেছে, দুই দেশের মধ্যে পুনরায় কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, বাণিজ্য উন্মুক্ত করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে একটি ইউরোপীয় দেশ এবং জাতিসংঘ এই আলোচনায় বড় ভূমিকা পালন করেছে।
বিশ্বনেতারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরলে তার সুফল পুরো বিশ্ব পাবে।” অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই প্রক্রিয়াকে টেকসই করতে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই চুক্তির ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল হতে পারে। কারণ, এই দুই দেশই বিশ্বের প্রধান তেল উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোর নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করে। তবে সংঘাতের মূল বিষয়গুলো কতটা সমাধান হবে, তা নিয়ে এখনও অনেক সংশয় রয়ে গেছে।
উভয় দেশের সাধারণ মানুষ এই আলোচনাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তারা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এখন শান্তির এই নতুন পথে হেটে তারা একটি সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন। পরবর্তী রাউন্ডের আলোচনা আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।










