প্রতিবেদন: ভ্রমণ ডেস্ক: প্রকৃতির কন্যা সিলেটে পর্যটকদের জন্য যুক্ত হলো নতুন এক আকর্ষণ। এই প্রথম দেশের কোনো হাওর অঞ্চলে চালু হলো সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব (ইকো-ফ্রেন্ডলি) ভাসমান রিসোর্ট। উদ্বোধনের পর থেকেই পর্যটকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এই অভিনব উদ্যোগ।
রিসোর্টটি তৈরি করা হয়েছে স্থানীয় বাঁশ, কাঠ এবং ছন ব্যবহার করে, যা পরিবেশের সাথে পুরোপুরি মানানসই। এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, এতে থাকলে মনে হবে আপনি প্রকৃতির কোলে ভেসে বেড়াচ্ছেন। রিসোর্টের প্রতিটি কক্ষে রয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, কিন্তু তা প্রকৃতির ক্ষতি না করেই নিশ্চিত করা হয়েছে।
রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখানে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার করা হয় এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যাতে হাওরের পানি দূষিত না হয়। তারা স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় পর্যটকদের জন্য নৌকা ভ্রমণের ব্যবস্থাও রেখেছেন। এছাড়া স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নেওয়ার সুযোগও থাকছে এখানে।
একজন পর্যটক তার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেন, “এখানে এসে মনে হচ্ছে পৃথিবীর সমস্ত কোলাহল থেকে দূরে চলে এসেছি। রাতে যখন চাঁদের আলো হাওরের পানিতে পড়ে, তখন এক অদ্ভুত সুন্দর পরিবেশ তৈরি হয়। যারা প্রকৃতি ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি একটি স্বর্গরাজ্য।”
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে নতুন মাত্রা দেবে। তারা বলছেন, পরিবেশ রক্ষা করে পর্যটনের বিকাশ ঘটালে তা টেকসই হবে এবং স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সিলেট ভ্রমণে গেলে এই ভাসমান রিসোর্টে এক রাত কাটানো আপনার ভ্রমণের অভিজ্ঞতায় নতুন রঙ যোগ করবে।










