প্রতিবেদন: অর্থনৈতিক প্রতিবেদক: দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত এক সপ্তাহ ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছে। প্রতিদিন লেনদেনের শুরু থেকেই সূচকের বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা পুঁজি হারানোর ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। গতকালও লেনদেন শেষে প্রধান সূচক ১০০ পয়েন্টের বেশি কমেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বেশ কিছু বড় কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকটের কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেক বিনিয়োগকারী এখন লোকসান এড়াতে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন, যা বাজারকে আরও নিম্নমুখী করছে। তারা বলছেন, বর্তমান বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ মতিঝিল এলাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। তারা দাবি করেছেন যে, বাজারে কারসাজি চক্র সক্রিয় রয়েছে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে। তারা বিএসইসি-র কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং বাজারকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য বিশেষ তহবিলের দাবি জানিয়েছেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) জরুরি বৈঠক ডেকেছে। বৈঠকে স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধি এবং স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। বৈঠক শেষে জানানো হয়েছে যে, বাজারে তারল্য সংকট দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, সামষ্টিক অর্থনীতির কিছু নেতিবাচক প্রভাব বাজারে পড়ছে। তবে তারা বিনিয়োগকারীদের হুজুগে না মেতে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, মৌলভিত্তি সম্পন্ন শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগ থাকলে দীর্ঘমেয়াদে লোকসানের সম্ভাবনা কম থাকে।










