প্রতিবেদন: আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দীর্ঘ আলোচনা ও মতপার্থক্যের পর অবশেষে বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে একটি নতুন চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন বিশ্বনেতারা। এবারের সম্মেলনে প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। উন্নত দেশগুলো শেষ পর্যন্ত উন্নয়নশীল দেশগুলোর দাবি মেনে নিতে সম্মত হয়েছে।
নতুন এই চুক্তির আওতায়, শিল্পোন্নত দেশগুলো আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের কার্বন নিঃসরণ ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে যেসব দেশ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে, তাদের জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠন করা হবে। এই তহবিলে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জমা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব এই চুক্তিকে একটি “ঐতিহাসিক পদক্ষেপ” হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “পৃথিবীকে বাঁচানোর জন্য এটি আমাদের শেষ সুযোগ। আমরা যদি এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিই, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে।”
তবে পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, শুধু প্রতিশ্রুতি দিলেই হবে না, এর বাস্তবায়নই আসল চ্যালেঞ্জ। তারা বলছেন, অতীতেও অনেক চুক্তি হয়েছে, কিন্তু তার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন দেখা যায়নি। তাই এবারের চুক্তির বাস্তবায়ন কড়া নজরদারির মধ্যে রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
বাংলাদেশসহ জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার দেশগুলো এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেছে যে, উন্নত দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর পাশে দাঁড়াবে। এই চুক্তির ফলে বিশ্বের উষ্ণায়ন রোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।










