প্রতিবেদন: নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এরই মধ্যে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক সংলাপের একটি ক্ষীণ আভাস পাওয়া যাচ্ছে। যদিও প্রকাশ্যে কোনো পক্ষই এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলছে না, তবে নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, পর্দার আড়ালে বরফ গলতে শুরু করেছে।
ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, “আমরা সবসময়ই গণতন্ত্রে বিশ্বাসী এবং আলোচনার দরজা সবার জন্য খোলা।” তার এই বক্তব্যকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। তারা বলছেন, এটি বিরোধী দলের প্রতি একটি পরোক্ষ আহ্বান হতে পারে।
অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারাও তাদের কর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন এবং যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। তারাও একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। তবে তারাও যে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চান, তাদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে তার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এই সম্ভাব্য সংলাপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলছেন, সংঘাত নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমেই রাজনৈতিক মতপার্থক্য দূর করা সম্ভব। দেশের স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সব পক্ষকে ছাড় দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
তবে এই সংলাপ শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখবে কিনা, তা সময় বলে দেবে। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, অনেক সময় আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ মুহূর্তে তা ভেস্তে যায়। তাই সাধারণ মানুষ তাকিয়ে আছে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতির দিকে। আগামী কয়েক সপ্তাহ দেশের রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।










